অস্তিত্বরক্ষার লড়াইয়ে অধিক শক্তিশালী দেশ বা মানুষ কম শক্তিশালী দেশ বা মানুষদের উপরে নানাভাবে আঘাত করে। এই আঘাত অর্থনৈতিক হতে পারে, সামাজিক হতে পারে, মানসিক বা শারীরিক হতে পারে। বাংলাদেশ আয়তনে ক্ষুদ্র কিন্তু জনবহুল দেশ। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর থেকেই বাংলাদেশের আর্থ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রন ভারতের হাতে। ভারতের কূটনৈতিক চালের সাথে ইসরায়েলীর কূটনৈতিক চালের ব্যাপক মিল লক্ষ্য করা যায়। যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশের জনগন উপনিবেশিক শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছে। ভারতের ইতিহাস জ্ঞান গভীর। তাই উপনিবেশিক শক্তির এক নতুন রুপ ও ধারার সূচনা করেছে ভারত। উপনিবেশিক প্রতিনিধি সরকার গঠনের মাধ্যমে একটি দেশকে স্বাধীন নাম দিয়ে নিয়ন্ত্রন করা অনেক সহজ। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ থেকে পাকিস্তানের সামরিক শক্তি যখন বাংলাদেশে গনহত্যা শুরু করে তখন ভারত বাধা দেয়নি বা বাংলা আক্রমন করেনি। ভারত ও পাকিস্তান বিরোধী যেসব রাজনৈতিক দল সেসময় বাংলাদেশে অবস্থান করছিল সেইসব দলের নেতা কর্মীদের প্রথমে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া ও গনহত্যাতে লক্ষ মানুষের মৃত্যু ও সারা পূর্ব বাংলাকে একটি ধ্বংসস্তূপে পরিনত হবার জন্য অপেক্ষা করছিল ভারত। শত্রু যখন দুর্বল হয়ে যাবে নিজের হাতে নিজেকে আঘাত করে তখনই শত্রুকে আক্রমন করার সুবর্ন সুযোগ। সেই সুযোগ এসেছিল ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে । পূর্ব পাকিস্তান আক্রমন করে পূর্ব বাংলার মানুষের হাতে ভারত যে শুধু স্বাধীনতা অর্পন করেছে তা নয় এই স্বাধীনতা ব্রান্ড নামের স্বত্বাধিকারী রাজনৈতিক দলও বাংলাদেশের জন্য মনোনিত করে দিয়েছে।
বিদেশী শক্তির প্রতিনিধি বা দালালে যখন একটি দেশ শাসন করে তখন সেই দেশকে স্বাধীন দেশ হিসাবে বিবেচনা করা যায়না। আরব, মুঘল, ইংরেজ, উর্দু, হিন্দি বা বাংলা, উপনিবেশিক শক্তির ভাষা যাই হোকনা কেনো কোন না কোনভাবে বাংলাদেশ সব সময়ই বিদেশীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। তাই বাংলাদেশের মানুষের আন্দোলন করে যেতে হয় প্রতিনিয়ত। কোন কোন সময় প্রকৃতির বিরুদ্ধে আর কোন কোন সময় পাশবিকতার বিরুদ্ধে।
তাই সব চাইতে যা সহজলভ্য তা হলো মৃত্যু। দেশে যদি দেশ প্রেমিক সরকার না থাকে তাহলে নাগরিকদের অধিকার সংরক্ষনের বদলে হরন করা হয়। ১৯৭১ সালের মোট মৃত্যুর সংখ্যা জানা যায়নি। কোন পরিসংখ্যান হয়নি। তৎকালীন ভারতিয় দালাল সরকার শুধু নিজ দলের লোকজনের আখের গুছাতে আর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা কর্মীদের হত্যা করতে ব্যস্ত ছিল। ভারত চায়নি যে বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ ছাড়া আর কোন রাজনৈতিক দল থাকুক। শেখ মুজিব নিজেও চায়নি তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলুক। শেখ মুজিবের পুঁথিগত বিদ্যার স্বল্পতা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞার অভাব ও ভারতের দ্বারা দালা্ল হিসাবে নিয়োজিত হবার কারনে ১৯৭০ সালের মুখোশ খুলে ফেলে দেওয়া ও ব্যক্তিগত লোভ, লালসাতে প্রলুব্ধ হয়ে বাংলাদেশে রাজতন্ত্র গঠনের প্রচেষ্টা ইত্যাদি কারনে নিজের কবর নিজেই খুঁড়ে বসে। শেখ হাসিনা এখনকার প্রধানমন্ত্রী নিজেও কোনদিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারতোনা যদি শেখ কামাল বা শেখ জামাল জীবিত থাকতো । ওদের সবার মৃত্যু শেখ হাসিনার জন্য আশীর্বাদ বয়ে এনেছে।
বিদেশী শক্তির প্রতিনিধি বা দালালে যখন একটি দেশ শাসন করে তখন সেই দেশকে স্বাধীন দেশ হিসাবে বিবেচনা করা যায়না। আরব, মুঘল, ইংরেজ, উর্দু, হিন্দি বা বাংলা, উপনিবেশিক শক্তির ভাষা যাই হোকনা কেনো কোন না কোনভাবে বাংলাদেশ সব সময়ই বিদেশীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। তাই বাংলাদেশের মানুষের আন্দোলন করে যেতে হয় প্রতিনিয়ত। কোন কোন সময় প্রকৃতির বিরুদ্ধে আর কোন কোন সময় পাশবিকতার বিরুদ্ধে।
তাই সব চাইতে যা সহজলভ্য তা হলো মৃত্যু। দেশে যদি দেশ প্রেমিক সরকার না থাকে তাহলে নাগরিকদের অধিকার সংরক্ষনের বদলে হরন করা হয়। ১৯৭১ সালের মোট মৃত্যুর সংখ্যা জানা যায়নি। কোন পরিসংখ্যান হয়নি। তৎকালীন ভারতিয় দালাল সরকার শুধু নিজ দলের লোকজনের আখের গুছাতে আর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা কর্মীদের হত্যা করতে ব্যস্ত ছিল। ভারত চায়নি যে বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ ছাড়া আর কোন রাজনৈতিক দল থাকুক। শেখ মুজিব নিজেও চায়নি তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলুক। শেখ মুজিবের পুঁথিগত বিদ্যার স্বল্পতা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞার অভাব ও ভারতের দ্বারা দালা্ল হিসাবে নিয়োজিত হবার কারনে ১৯৭০ সালের মুখোশ খুলে ফেলে দেওয়া ও ব্যক্তিগত লোভ, লালসাতে প্রলুব্ধ হয়ে বাংলাদেশে রাজতন্ত্র গঠনের প্রচেষ্টা ইত্যাদি কারনে নিজের কবর নিজেই খুঁড়ে বসে। শেখ হাসিনা এখনকার প্রধানমন্ত্রী নিজেও কোনদিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারতোনা যদি শেখ কামাল বা শেখ জামাল জীবিত থাকতো । ওদের সবার মৃত্যু শেখ হাসিনার জন্য আশীর্বাদ বয়ে এনেছে।